ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫ ৫৮৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা করেছে, পাষন্ড ও লম্পট প্রেমিক এনায়েত হোসেন। যার কারনে বর্তমানে প্রেমিকার সুন্দর ও গুছানো জীবনটি বিপন্ন হওয়ার পথে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে । ভুক্তভোগী প্রেমিকার ভিডিও বক্তব্য ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সুলতান মিস্ত্রির ছেলে এনায়েত হোসেনের সাথে ভিকটিমের প্রায় ১০ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমকে বিয়ে করে সুখের সংসার বাঁধবে বলে বিভিন্ন আশা, ভরসা ও স্বপ্ন দেখায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে অতি বিশ্বাস কারে তার সাথে সর্ব ধরনের যোগাযোগ রাখে। এক পর্যায়ে লম্পট প্রেমিক এনায়েত, সহজ সরল ভিকটিমকে বিভিন্ন কৌশলে আবদ্ধ ও জিম্মি করে একাধিকবার দৈহিক মিলন করে। একটা সময় এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে দ্রুত বিয়ে করার জন্য অনুরোধ জানায়। কিন্তু পাষণ্ড ও বিশ্বাসঘাতক প্রেমিক এনায়েত বিষয়টি এড়িয়ে যায় বারবার। এরপর ভিকটিম এনায়েতকে স্বামী হিসেবে পাবার জন্য, এলাকার গণ্যমান্যদের কাছে একাধিকবার দৌড়, ঝাপ করলেও কোন প্রকার সুফল মেলেনি তার ভাগ্যে। অন্যদিকে প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমের সাথে পেছনের সকল স্মৃতি ভুলে গিয়ে, তার সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অন্যত্র পালিয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে কাছে পাবার জন্য, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে খুঁজতে হয়ে পড়ে পরিশ্রান্ত এবং ক্লান্ত। সর্বশেষ ভিকটিম কোন উপায় অন্ত না দেখে গত ১৬ অক্টোবর প্রেমিকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেই। এ খবর শুনেও ভিকটিমকে এক নজর দেখতে আসেনি পাষণ্ড ও প্রতারক প্রেমিক এনায়েত হোসেন। উল্লেখ্য, ওই বাড়িতে ভিকটিম অনাহারে, অর্ধাহারে একটানা ১৬দিন অবস্থান করে। সে বাড়িতে তার পেটে নিয়মিত ভাত না জুটলেও প্রেমিক এনায়েতের বাবা, মা, ভাই, বোনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুনতে হয় তাকে। এরপরও প্রেমিকের ঘর ছাড়েনি হতভাগী অসহায় ভিকটিম। এমতাবস্থায় ভিকটিমকে ঘর ছাড়া করার জন্য প্রেমিক এনায়েতের পক্ষ থেকে চরফ্যাশন আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলায় মহামান্য আদালত ভিকটিমকে ঘর ছাড়ার আদেশ প্রদান করেণ। এ আদেশের প্রতি সম্মান রেখে গত ৩১ অক্টোবর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতের ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে স্বামী এনায়েতের দাবিতে, বর্তমানে ভোলা নারী শিশু আদালতে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভিকটিম। এ মামলায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী অসহায় ভিক্টিম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা করেছে, পাষন্ড ও লম্পট প্রেমিক এনায়েত হোসেন। যার কারনে বর্তমানে প্রেমিকার সুন্দর ও গুছানো জীবনটি বিপন্ন হওয়ার পথে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে । ভুক্তভোগী প্রেমিকার ভিডিও বক্তব্য ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সুলতান মিস্ত্রির ছেলে এনায়েত হোসেনের সাথে ভিকটিমের প্রায় ১০ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমকে বিয়ে করে সুখের সংসার বাঁধবে বলে বিভিন্ন আশা, ভরসা ও স্বপ্ন দেখায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে অতি বিশ্বাস কারে তার সাথে সর্ব ধরনের যোগাযোগ রাখে। এক পর্যায়ে লম্পট প্রেমিক এনায়েত, সহজ সরল ভিকটিমকে বিভিন্ন কৌশলে আবদ্ধ ও জিম্মি করে একাধিকবার দৈহিক মিলন করে। একটা সময় এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে দ্রুত বিয়ে করার জন্য অনুরোধ জানায়। কিন্তু পাষণ্ড ও বিশ্বাসঘাতক প্রেমিক এনায়েত বিষয়টি এড়িয়ে যায় বারবার। এরপর ভিকটিম এনায়েতকে স্বামী হিসেবে পাবার জন্য, এলাকার গণ্যমান্যদের কাছে একাধিকবার দৌড়, ঝাপ করলেও কোন প্রকার সুফল মেলেনি তার ভাগ্যে। অন্যদিকে প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমের সাথে পেছনের সকল স্মৃতি ভুলে গিয়ে, তার সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অন্যত্র পালিয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে কাছে পাবার জন্য, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে খুঁজতে হয়ে পড়ে পরিশ্রান্ত এবং ক্লান্ত। সর্বশেষ ভিকটিম কোন উপায় অন্ত না দেখে গত ১৬ অক্টোবর প্রেমিকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেই। এ খবর শুনেও ভিকটিমকে এক নজর দেখতে আসেনি পাষণ্ড ও প্রতারক প্রেমিক এনায়েত হোসেন। উল্লেখ্য, ওই বাড়িতে ভিকটিম অনাহারে, অর্ধাহারে একটানা ১৬দিন অবস্থান করে। সে বাড়িতে তার পেটে নিয়মিত ভাত না জুটলেও প্রেমিক এনায়েতের বাবা, মা, ভাই, বোনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুনতে হয় তাকে। এরপরও প্রেমিকের ঘর ছাড়েনি হতভাগী অসহায় ভিকটিম। এমতাবস্থায় ভিকটিমকে ঘর ছাড়া করার জন্য প্রেমিক এনায়েতের পক্ষ থেকে চরফ্যাশন আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলায় মহামান্য আদালত ভিকটিমকে ঘর ছাড়ার আদেশ প্রদান করেণ। এ আদেশের প্রতি সম্মান রেখে গত ৩১ অক্টোবর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতের ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে স্বামী এনায়েতের দাবিতে, বর্তমানে ভোলা নারী শিশু আদালতে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভিকটিম। এ মামলায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী অসহায় ভিক্টিম।